কিশোরগঞ্জ সদরের বৌলাই ইউনিয়নের বৃহত্তর পাটধায় হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়
বৌলাই, (কিশোরগঞ্জ), ২৪ অক্টোবর, ইত্যাবা_নিউজ : সব জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কিশোরগঞ্জে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে সদর উপজেলার বৌলাই ইউনিয়নের বৃহত্তর পাটধার মইশাখালীর 'ঐতিহ্যবাহী ধূপাচূড়া বিল' কে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত জমিটি ২৩ অক্টোবর মঙ্গলবার পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরীসহ স্থান নির্বাচন কমিটির সদস্যরা। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, কিশোরগঞ্জ সদর ইউএনও মাহদী হাসান ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবুল হাসেম রনি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসন জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১০০ একর জায়গার প্রয়োজন। বৌলাই ইউনিয়নের বৃহত্তর পাটধার প্রস্তাবিত উক্ত জায়গাটির মধ্যে খাস জমি ছাড়াও ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমি রয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গার জন্য ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমি অধিগ্রহণের কাজ খুব দ্রুত শুরু করা হবে। এর আগে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তিনদিনের সফরে গত ৮ অক্টোবর কিশোরগঞ্জ এসে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জায়গাটি পরিদর্শন করে গেছেন।
ওইদিনই সরকারি গুরুদয়াল কলেজ মাঠে গণসংবর্ধনায় রাষ্ট্র্রপতি আবদুল হামিদ খুব তাড়াতাড়ি কিশোরগঞ্জে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, 'আমি বছর দুয়েক আগে আজিম উদ্দিন হাইস্কুলে যখন এসেছিলাম, তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেটি হয়নি। ওই সময়ের পরে কাজ শুরু করে নেত্রকোনায় বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে গেছে। কিশোরগঞ্জে এটা আমি এখনও করতে পারিনি। খুব তাড়াতাড়ি কিশোগঞ্জে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হবে।' পরে রাষ্ট্রপতি গত ১০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত স্থানটি সহ আরো বেশ কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করেন।
জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, তিনটি স্থান পরিদর্শন শেষে বৌলাই ইউনিয়নের বৃহত্তর পাটধার মইশাখালীর 'ঐতিহ্যবাহী ধূপাচূড়া বিল' এর ভূমিটির পক্ষেই মতামত প্রকাশ করায় ওই স্থানটিকেই নির্বাচিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


কোন মন্তব্য নেই